
নিজস্ব প্রতিবেদক ৬
বছরের UKG-এর একটি শিশুর হোমওয়ার্ক করা ছিল না। শিক্ষিকা তাকে কাছে ডেকে আনেন, ইউনিফর্ম খুলে ফেলার ভয় দেখান এবং একপর্যায়ে চড় মারেন। এরপর শিশুটি শিক্ষিকার কোলে ঢলে পড়ে। হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃ*ত ঘোষণা করা হয়। অতিরিক্ত ভয়ে শিশুটি হার্ট এট্যাক করে।
অনেকে হয়তো বলবেন, “শিক্ষক তো আর জানতেন না এমনটা হয়ে যাবে!”
সত্যি, জানতেন না।
কিন্তু তিনি জানতেন—তার শ্রেণিকক্ষের প্রতিটি বাচ্চা একরকম নয়।
আমি নিজেও কয়েক বছর শিক্ষকতা করেছি। কে দুষ্টু, কে বেয়াদব, কে ভীতু, কে সংবেদনশীল—একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের একটু মন দিয়ে দেখলে এসব বুঝতে পারেন। কোনো বাচ্চা নিয়ম না মানলে আমি বেশিরভাগ সময় অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছি। কারণ শাসন করার অনেক পথ আছে, গায়ে হাত তোলাই একমাত্র পথ নয়।
আমার হাতে ক্ষমতা আছে। আমি চাইলে একটা বাচ্চাকে দশটা চড় দিতে পারি। সে আমাকে একটা চড়ও দিতে পারবে না।
কিন্তু আমি আমার ক্ষমতার অপব্যবহার কেন করবো?
শিশুকে মেরে-ধরে শেখানোর এই সংস্কৃতি বন্ধ হোক।
মা-বাবা হোক কিংবা শিক্ষক—কেউই শিশুর উপর নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করার অধিকার রাখেন না।