কেন মধ্যবয়স্কা নারীরা কম বয়সী যুবকের প্রেমে পড়েন?

প্রেমের সম্পর্কে নারীর চেয়ে পুরুষ বয়সে বড় হবে-এটাই স্বাভাবিক। অনেক সময় আবার সমবয়সীদের মধ্যেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বয়স যা-ই হোক, যে কোনো প্রেমেই আনন্দ আছে। আসল ব্যাপারটা হলো প্রেমের ধরনে। কারণ এটা নিয়েই রয়েছে যত প্রশ্ন। একজন যুবকের সঙ্গে বেশি বয়সী কোনো নারীর প্রেমের সম্পর্কের কথা শুনলে স্বভাবতই আমরা হোঁচট খাই। তখন মনের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঁকি দেয়। কেন কিছু কিছু বেশি বয়সী নারী বয়সে ছোট তরুণের সঙ্গে প্রেম করতে চায়? কেনই-বা সে তার চেয়ে এক দশকের ছোট বয়সের যুবককে প্রেমিক পুরুষ হিসেবে বেছে নেয়? এই প্রশ্নগুলো উত্তর নির্ভর করে আপনি জীবনে কী চাচ্ছেন, তার ওপর। আসলে একেক জনের কাছে প্রেম একেক রকম। কাজেই এটি বোঝা মুশকিল,কেন একজন বেশি বয়সী নারী তার চেয়ে কম বয়সীর সঙ্গে প্রেম করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাতে সাহায্য করছে লাইফস্টাইলবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘বোল্ডস্কাই ডটকম’। সেখানে কেন বেশি বয়সী নারীরা যুবকদের প্রেমিক পুরুষ হিসেবে পছন্দ করেন তার কিছু কারণ তুলে ধরা হয়েছে-

সমবয়সী পুরুষরা এরইমধ্যে বিবাহিত সমবয়সী পুরুষরা সবাই বিবাহিত। তাই যুবকদের প্রেমিক পুরুষ হিসেবে পছন্দ করেন বেশি বয়সী নারীরা। আবার তারা এটাও ভাবেন,এই বয়সে ভালো কোনো সমবয়সী সঙ্গীও তারা খুঁজে পাবেন না। এ কারণেই তারা যুবকদের দিকেই ঝুঁকে পড়েন। প্রেমের জন্য তাদের বেছে নেন। এতে তারা বিষন্নতা থেকেও মুক্তি পান।

জবাবদিহিতা পছন্দ করেন জবাবদিহিতার ব্যাপারটি অনেক বেশি পছন্দ করেন বেশি বয়সী নারীরা। এ ক্ষেত্রে অবশ্য তারা সহজেই যুবক প্রেমিকদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসেন। আবার প্রেমিক যুবকের চেয়ে যেকোনো বিষয়ে তার অভিজ্ঞতাও বেশি থাকে। এতে যেকোনো পরিস্থিতি তিনি সহজেই সামলে নিতে পারেন। বেশি বয়সী নারীদের এমন জবাবদিহিতায় অবশ্য প্রেমিক যুবক কিছু মনে করেন না। এতে বেশি বয়সী নারীদের কোনো আচরণই তার খারাপ লাগে না। তখন যুবক প্রেমিকের সঙ্গে বেশি বয়সী নারীদের সম্পর্কে দুজনের জয়ের একটা পরিস্থিতি বিরাজ করে।

নিজেকে তরুণী মনে করা যুবক প্রেমিকদের সঙ্গে প্রেম করলে নিজেকে তরুণ মনে করেন বেশি বয়সী নারীরা। তারা ভাবেন, তারা আবারও সেই তরুণ বয়সে ফিরে গেছেন। কম বয়সী প্রেমিক তাদের জীবনকে আরও আপডেট করতেও ভূমিকা রাখেন। এর ফলে বিয়ের পর বাচ্চা এবং সংসারের অন্য দায়িত্ব পালন তাদের কাছে আর বোঝা বলে মনে হয় না।

আনন্দময় যৌনজীবন কোনো যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে বেশি বয়সী নারীদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায়। যৌনতার বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি থাকায় তারা জানেন,কীভাবে যুবক প্রেমিকের সঙ্গে যৌনতাকে আরও বেশি আনন্দদায়ক করে তোলা যায়। এ কারণেও তারা যুবকদের বেছে নেন।

যুবক প্রেমিকরা কম ‘সিরিয়াস’ বেশি বয়সী নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে যুবক প্রেমিকরা কম ‘সিরিয়াস’ থাকে। তাদের মধ্যে জটিলতাও কম। তাই প্রেমের পরিকল্পনা করলে বেশি বয়সী নারীরা যুবকদের বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। কারণ তারা জানেন, বড় ধরনের কোনো সমস্যা ছাড়াই তারা তাদের সম্পর্ক চালিয়ে নিতে পারবেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-  লিভার নষ্ট হয় বা পঁচে যায় কেন জানেন? রইলো ৯টি কারণ!  মানুষের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলোর মধ্যে অন্যতম হল লিভার। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। কিন্তু কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। এই অঙ্গটি নষ্ট হওয়ার পিছনে কারণগুলি দেখে নেওয়া যাক:  ১. দেরি করে ঘুমোতে যাওয়া এবং দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা দুটোই লিভার নষ্টের কারণ। এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকেএবং তার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।  ২. অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠেও কুড়েমি করে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে না গিয়ে তা চেপে শুয়েই থাকেন। এতে লিভারের উপরে চাপ পড়ে এবং লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।  ৩. অতিরিক্ত বেশি খাওয়া দাওয়া করা লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর । অনেকেই আবাব বহুক্ষণ সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি বেশি করে খেয়ে ফেলেন। এতে হঠাৎ করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে এবং লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।  ৪. সকালের খাবার না খাওয়ায় লিভার পক্ষে ক্ষতিকর। যেহেতু অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।  ৫. অনেক বেশি ঔষধ খেলে লিভার নষ্ট হয়৷ বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধের জেরে লিভারের কর্মক্ষমতার হ্রাস পায়ে। এছাড়াও ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।  ৬. কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।  ৭. খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।  ৮.অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।  ৯. অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্য পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>